GoomZoom
Nonstop Entertainment

‘পুজো মানেই নো ডায়েট, কষা-ঝোলা মাংস আর শেষ পাতে মিষ্টি!’ পুজো প্ল্যানিং নিয়ে অকপটে মিমি চক্রবর্তী

পুজো নিয়ে অনেকের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। সকলের কাছে পুজোর মানে এক নয়। তাই কেউ পুজোর সময় কলকাতা ছাড়া থাকতেই পারে না। আবার অনেকেই পুজোর সময়তেই ছুটে যান ঘুরতে। তেমনি মিমি চক্রবর্তীও পুজোর সময় কলকাতা ছাড়া কোথাও থাকার কথা ভাবেন না। যদিও বা তাঁর পায়ের তলায় চাকা লাগানো। ঘুরে-বেড়াতে সব সময় ভালোবাসেন।

নতুন জায়গার খোঁজ পেলে ছুটে যান সেখানে। কিন্তু পুজোর দিনগুলি আলাদা। শহর জুড়ে হোডিং, লাইটিং, দূর থেকে ভেসে আসা ঢাকের আওয়াজ ছাড়া পুজো ভাবতে পারেননা অভিনেত্রী। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও শহরেই থাকবেন মিমি। জানালেন, “পঞ্চমীতে আমার ছবি মুক্তি পেয়েছে। তার প্রচারের জন্য কয়েকদিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম। দম ফেলার সময় পর্যন্ত ছিল না। তাই এই পাঁচ দিন পরিবারকে সময় দেব। নিজের মতো করে কাটাবো। আমার বাচ্চাগুলোর সঙ্গে খেলা করব। সারা বছর এই দিনগুলির জন্য অপেক্ষায় বসে থাকি।”

নানাজনে নানা ভাবে এই পুজোর দিনগুলিকে উপভোগ করতে চান। কেউ প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখে, কেউ বা ভাল-মন্দ খাবার খেয়ে, কেউ আবার পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে, কেউ আবার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে। এদিন অভিনেত্রী জানালেন, “কাছের মানুষগুলোকে মনের মতো করে কাছে পাই এই পুজোর দিনে। এবছর মা আমার সঙ্গে রয়েছে। কাজের জন্য মাকে সেভাবে সময় দিতে পারি না। এই কদিন মায়ের কাছে যতটা থাকা যায় ততটা থাকবো। আমার আবাসনে বড় করে পুজো হয়। মায়ের সঙ্গে ওখানে অনেকটা সময় কেটে যাবে। প্রতিবছরের মতো এবারও মা আমাকে পুজোতে শাড়ি উপহার দিয়েছে। সেই শাড়িটা পরবো বলে অপেক্ষা করে আছি।”

সারাবছর যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, পুজোর দিনগুলি নিজের পরিবারকে সময় দিতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। অভিনেত্রীর কথায়, “পুজোয় ছুটি পাব, কিন্তু আড্ডা হবে না? এমন আবার হয় নাকি! বন্ধুদের নিয়ে ঘরোয়া পার্টি হবে। খাওয়া-দাওয়া করব। শরীর স্বাস্থ্যের জন্য তো পুরো বছর ডায়েট করি। কিন্তু এই পাঁচটা দিন কোনরকম বিধি-নিষেধ মানবো না। মন ভরে মাংস খাবো। কষা-ঝোল দুটোই। শেষপাতে মিষ্টি আবশ্যক।”

এই বছরও করোনা সঙ্গ দিয়েছে পুজোতে। জানালেন, “করোনাকে সঙ্গী করেই আমার দ্বিতীয় পুজো। আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাঝে রয়েছে কালো মেঘের ছায়া। চাইবো সবাই সাবধানে থাকুক। আমার বাড়ি থেকে দু’পা হাঁটলেই গড়িয়াহাট। অনেকেই মাস্ক না পড়ে ঘুরছেন দেখতে পাই যাতায়াতের পথে। কেনাকাটা করছেন। কয়েক মাস আগেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের দাপট দেখেছি আমরা প্রত্যেকে।” বাকি তারকাদের মত অভিনেত্রীকে এইদিন করোনা নিয়ে সচেতনতা ছড়াতে দেখা গেল সকলের মধ্যে। টলিউডের সমস্ত তারকারাই পুজোর স্টাইল স্টেটমেন্ট, পুজোর প্ল্যানিং শেয়ারের মাঝে করোনা নিয়ে সকলকে সচেতন থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিন অভিনেত্রীও জানালেন, “বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। শহরজুড়ে অক্সিজেনের হাহাকার। অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজ। আমি চাইনা এই শহর আবার সেই ভয়ঙ্কর দিনের সাক্ষী থাকুক। তাই প্রত্যেকেই মাস্ক পড়ুন। বিধিনিষেধ মানুন। তা মেনেই আনন্দ করুন। জানি সারা বছর অপেক্ষা করেছেন, এই দিনগুলোর জন্য। কিন্তু তাও করোনার বিধিনিষেধ মেনেই আনন্দ করুন।”

Comments
Loading...
error: Content is protected !!