GoomZoom
Nonstop Entertainment

“জয়শ্রী একবছর মুম্বাইতে থেকেও হিন্দিটা শিখতে পারলো কই!” স্ত্রী জয়শ্রীকে উদ্দেশ্য করে বিস্ফোরক মন্তব্য অভিনেতা ভরত কলের

আজকাল যে ধারাবাহিক দর্শকদের বেশি করে পছন্দ হচ্ছে, তা টিভির পর্দায় নানা ভাষায় ফুটে উঠছে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পরিবর্তন ঘটলেও কাহিনী প্রায় একই থাকছে। যেমন ‘দীপ জ্বেলে যাই’ ধারাবাহিকের হিন্দি রিমেক হয়েছে। এখানে আবার বাঙালি তারকাদেরকেও দেখা যাচ্ছে। যেসব বাঙালি তারকা এই ধারাবাহিকে কাজ করছেন তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ভরত কল।

অভিনেতার কথায়, ধারাবাহিক হিন্দি রিমেক হলেও গল্প দাঁড়িয়ে রয়েছে কলকাতাতেই। বাংলা ধারাবাহিক আর বাঙালি পরিবারের বদলে এখানে রয়েছে অবাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু তাঁদের থাকা হয় কলকাতাতেই। কলকাতার রীতি-রেওয়াজ বাঙালিয়ানায় তাঁদের দিন কাটে। বাড়িতে হয় দুর্গাপুজোও। পাশাপাশি ধারাবাহিকের নায়িকা রিয়াও বাঙালি। ফলে সে অর্থে ধারাবাহিক হিন্দি রিমেক হলেও, দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটাটাই বাঙালিয়ানায়। শুধু ভাষাটাই হিন্দি আর গল্পে এসেছে একটু অদল বদল।

অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘আদতে সিরিয়ালটি শেষ হওয়ার বেশ অনেক বছর পর হয়েছে রিমেক। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আজকাল যে ধারাবাহিক দর্শকদের বেশি করে পছন্দ হচ্ছে, তা টিভির পর্দায় নানা ভাষায় ফুটে উঠছে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পরিবর্তন ঘটলেও কাহিনী প্রায় একই থাকছে। যেমন ‘দীপ জ্বেলে যাই’ ধারাবাহিকের হিন্দি রিমেক হয়েছে। এখানে আবার বাঙালি তারকাদেরকেও দেখা যাচ্ছে। যেসব বাঙালি তারকা এই ধারাবাহিকে কাজ করছেন তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ভরত কল।

অভিনেতার কথায়, ধারাবাহিক হিন্দি রিমেক হলেও গল্প দাঁড়িয়ে রয়েছে কলকাতাতেই। বাংলা ধারাবাহিক আর বাঙালি পরিবারের বদলে এখানে রয়েছে অবাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু তাঁদের থাকা হয় কলকাতাতেই। কলকাতার রীতি-রেওয়াজ বাঙালিয়ানায় তাঁদের দিন কাটে। বাড়িতে হয় দুর্গাপুজোও। পাশাপাশি ধারাবাহিকের নায়িকা রিয়াও বাঙালি। ফলে সে অর্থে ধারাবাহিক হিন্দি রিমেক হলেও, দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটাটাই বাঙালিয়ানায়। শুধু ভাষাটাই হিন্দি আর গল্পে এসেছে একটু অদল বদল।

অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘আদতে সিরিয়ালটি শেষ হওয়ার বেশ অনেক বছর পর হয়েছে রিমেক। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। পরিচালক সুশান্ত দাস খেয়াল দিয়েছে সেই সব দিকে’। এদিন সাক্ষাৎকারে অভিনেতা ভরত কল কথা বলেছেন ধারাবাহিকে নিজের চরিত্র নিয়েও। তিনি জানান, তাঁর চরিত্রের নাম অমিতাভ আগারওয়াল। অবাঙালি হয়েও সে প্রায় বাঙালি। ব্যবসা নিয়ে প্রচন্ড সচেতন আর তাই নিয়ে ছেলের সঙ্গে যাবতীয় ঝামেলা’। এমনকি অভিনেতার বক্তব্য, হিন্দি বলতেও তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তাই এই চরিত্রে অনায়াসেই সে অভিনয় করতে পারছেন।

কিন্তু এদিকে সমস্যা অভিনেতার স্ত্রীকে নিয়ে। তাঁকে হিন্দিতে কাজ করতে হলে, খুবই সমস্যায় পরতে হবে। এদিন স্ত্রীকে নিয়ে ভরত কল জানিয়েছেন, “আমার স্ত্রী একবছর মুম্বাইতে থেকেও ভাষাটা শিখতে পারলো কই! হিন্দিতে কাজ করতে হলে তো হিন্দিটা ভালো করে বলতে হবে। হিন্দির দৌড় এক্কেবারে আর পাঁচজন সাধারণ বাঙালির মতন। সেই খাতা হ্যায়, যাতা হ্যায়, সোতা হ্যায়। ব্যাস! অন্য ভাষায় কাজ করতে হলে সেই ভাষায় আগে নিজেকে সড়গড় করতে হবে”।

এমনিতে টলিউডে হিন্দি বলতে পারেন অনেকেই। সব্যসাচী চক্রবর্তী, অর্জুন চক্রবর্তী, পল্লবী চট্টোপাধ্যায়, জুন মালিয়া-সহ আরও অনেক তারকাই। হিন্দিতে বেশ পটু তাঁরা। নিঃসন্দেহে তাঁদেরকে ভালো কোনও চরিত্রে কাজ করানো যায়। কিন্তু এদেরকে রাজি করানো মুশকিল। যাঁরা ভালো হিন্দি বলেন তাঁদের হিন্দি রিমেকে কাজ পাওয়ার বাড়তি সম্ভাবনা থাকে। তবে এদিক থেকে ভরত কলের স্ত্রী জয়শ্রী একটু পিছিয়ে।

তিনি এই একই পেশায় রয়েছেন। কিন্তু হিন্দি জানাতে বাড়তি কাজ পাচ্ছেন ভরত কল। আর অন্যজন তা পাচ্ছেন না। অভিনেতার কথায়, “ও যদি বেশি কাজ করে বেশি রোজগার করে আমারই তো লাভ। কিন্তু ও থাকবে শুয়ে-বসে”। যা শুনে বোঝা যাচ্ছে, স্ত্রীর এই কাজে একদমই খুশি নন অভিনেতা ভরত কল।

ব্যক্তিগতভাবে অভিনেতা মনে করেন, এই প্রতিযোগীতার বাজারে সমস্ত কিছুতেই ভাগ নিতে হবে। হিন্দি রিমেক মানে যে সাফল্য পাবে না তা নয়। প্রচুর ধারাবাহিক, প্রচুর সিনেমা এখন রিমেক হচ্ছে। সবই পছন্দ হচ্ছে দর্শকদের আর ইদানিং রিমেক হওয়ার সংখ্যাটা বেশ বেড়ে গিয়েছে। ‘শ্রীময়ী’র রিমেক হয়েছে। ‘ইষ্টিকুটুম’-এর রিমেক হয়েছে। এমনকি ‘কুসুম দোলা’রও রিমেক হয়েছে। তাই সেক্ষেত্রে ভারতীয় ভাষা ছাড়াও, হিন্দি ভাষা একটু আদ্দু জেনে রাখা ভালো। সেক্ষেত্রে কাজ পেতে সুবিধা হয়।

Comments
Loading...