GoomZoom
Nonstop Entertainment

পুজোতে নিজে শুভশ্রীর কাছে চেয়ে ফেলেন পাঞ্জাবি! দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে অকপট রাজ চক্রবর্তী

রাজ চক্রবর্তী, টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক, বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক।ব্যারাকপুরের মাটি থেকে তিনি বিধায়ক হয় জয়লাভ করেন। আবার তিনি একজন বাবা ও স্বামী। গত বছরে তার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছে ইউভান।কিছুদিন পরেই দুর্গা পুজো। তার আগে নিজেদের মত করে প্ল্যান গুছিয়ে নিয়েছেন সকলেই।

বাদ যায়নি রাজ শুভশ্রী ও। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বাঙালির আবেগের উৎসব। কি ভাবছেন বিধায়ক ও পরিচালক রাজ? তিনি জানান “উৎসবের চারটে দিন একটু অন্য ভাবে কাটানোর চেষ্টা। মনে হয় যেন মা এলে রোগ, ব্যাধি সবই দূর হয়ে যাবে। সেই বিশ্বাসে ভর করে মন খারাপের মাঝেও ছিমছাম আয়োজনে পুজো।”

 

কথা বলতে বলতেই জানা গেল পূজার প্ল্যানিং। তবে পূজার সময়ে ঘরে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন পরিচালক।এবারও তার অন্যথা হবে না।পাশাপাশি খাদ্য রসিক বটে তিনি। রাজের কথায় “অষ্টমীর সকালে পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি। আর জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। শরীরস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে সারা বছর অনেক কিছুই খেতে পারি না। তা বলে পুজোর সময় পেটপুজোতেও বিধিনিষেধ? নৈব নৈব চ! ওই কটা দিন কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার পালা। নবমীর দিন মাংস চাই-ই চাই। আর ঘুম ভাঙবে গরম গরম লুচি, ছোলার ডালের মিষ্টি গন্ধে।”

পূজা মানেই উপহার দেওয়া নেওয়া কাছের মানুষের সাথে।তবে বিয়ের পর থেকে নিয়ম করে রাজকে পাঞ্জাবি উপহার দেয় স্ত্রী শুভশ্রী। তাদের দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের কথা সকলেই জানেন। রাজের কথায় “শুভ’র দেওয়া পাঞ্জাবি পরে অষ্টমীতে অঞ্জলি দিই। আমি কিন্তু ওর থেকে দিব্যি পাঞ্জাবি চেয়ে ফেলি। কিন্তু ও আমার থেকে কিছুই নিতে চায় না। অগত্যা আমিই পছন্দ করে ওকে শাড়ি কিনে দিই”। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য শুভশ্রীর জন্য উপহার পাঠিয়েছেন।

উৎসব আর পূজা মানেই মানুষের মধ্যে আনন্দ আর আড্ডা। তার মতে “রাস্তায় বেরোলে মানুষের ভিড়। এই কয়েকটা দিন দুঃখ ভুলে মানুষ নতুন করে হাসতে শেখে। এটাই তো সব চেয়ে বড় পাওনা। আর কয়েকটা মাত্র দিন। মা আসছেন… যা জীর্ণ, যা দীর্ণ সব মুছে যাক। হাসি, আলোয় ভরে যাক জীবন।

Comments
Loading...
error: Content is protected !!